বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের এক জরুরি সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরহুমা বেগম জিয়াকে সংসদ ভবন এলাকা সংলগ্ন জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই সমাহিত করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। তাঁর রাষ্ট্রীয় অবদান ও মর্যাদাকে সম্মান জানিয়ে সরকার তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় জানানোর যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।” সিদ্ধান্ত…
Author: News Desk
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বেগম জিয়ার সমুজ্জ্বল ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়। এই প্রেক্ষাপটে দেওয়া ভাষণে ড. ইউনূস বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্রের প্রতি…
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলের পাশেই সমাহিত করা হবে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সভাশেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আজকের মন্ত্রিপরিষদ সভায় বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করা হয় এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক স্মৃতির কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে গত…
বাংলাদেশের রাজনীতির এক প্রবাদপ্রতিম নক্ষত্র বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে আজ সমাপ্ত হলো ৪১ বছরের এক মহাকাব্যিক রাজনৈতিক যাত্রার। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে তাঁর চিরবিদায়ের সংবাদটি কেবল একটি দলের নেত্রীর প্রস্থান নয়, বরং এটি দেশের ইতিহাসের এক দীর্ঘ সংগ্রামী অধ্যায়ের অবসান। ১৯৮৪ সালে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আসীন হওয়া থেকে শুরু করে ২০২৫-এর অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত—বিগত চার দশকে তিনি হয়ে উঠেছিলেন গণতন্ত্রকামী মানুষের আস্থার প্রতীক এবং এ দেশের রাজনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে এক শান্ত পরিবেশে। ১৯৬০ সালে তৎকালীন ক্যাপ্টেন (পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমানের সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ…
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একই সঙ্গে মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই ঘোষণা প্রদান করেন। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়ের অংশ হিসেবে আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এই সময়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন…
বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় প্রধানই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন এক অপরাজেয় জননেত্রী। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে তাঁর প্রয়াণের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাঁর দীর্ঘ চার দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিস্ময়কর দিকটি নিয়ে আলোচনা করছেন— আর তা হলো তাঁর ‘অপরাজিত’ নির্বাচনী রেকর্ড। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে তিনি এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অংশ নেওয়া কোনো আসনেই কখনও পরাজয়ের স্বাদ গ্রহণ করেননি। ১৯৮১ সালে স্বামী রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর অনেকটা নাটকীয়ভাবেই রাজনীতির মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে বেগম খালেদা জিয়ার। ১৯৮৪ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি রাজপথে…
দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে আজ ভোরের আলো ফোটার ঠিক আগে, যখন চারদিকে ফজরের আজান ধ্বনিত হচ্ছিল, তখন নিভৃতে বিদায় নিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বলিষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) আনুমানিক সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউ-তে (কোরোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর এই প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি বর্ণাঢ্য ও দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল। মৃত্যুর সেই অন্তিম মুহূর্তে হাসপাতালের শয্যাপাশে উপস্থিত ছিলেন তাঁর অতি প্রিয়জনেরা। বেগম জিয়ার বড় ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে মাত্র কয়েক দিন আগে দেশে ফিরেছেন, তিনি শেষ সময় পর্যন্ত…
বাংলাদেশের রাজনীতির এক বর্ণাঢ্য ও ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের প্রথম নারী সরকারপ্রধান বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বিএনপির মিডিয়া সেল ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে আজ সকাল ৭টার দিকে এই বেদনাদায়ক সংবাদটি নিশ্চিত করা হয়। সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণসহ নানাবিধ বার্ধক্যজনিত জটিলতার…
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. ফয়জুল হককে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে গত ২৬ নভেম্বর দলীয় বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, যা আজ চূড়ান্ত রূপ লাভ করল। মনোনয়ন পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় ড. ফয়জুল হক বলেন, “ঐতিহাসিক ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে নির্বাচনের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের। আমি বিশ্বাস করি, দেশপ্রেমিক জনতার সমর্থনে আগামীতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটি ইনসাফ…
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদী লুনা এবং তাঁর সুযোগ্য পুত্র আবরার ইলিয়াস আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সিলেট-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. সারওয়ার আলমের নিকট তাঁরা পৃথকভাবে এই মনোনয়নপত্র পেশ করেন। সিলেটের রাজনীতির এক সময়ের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এম ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ সময় পর তাঁর পরিবারের সদস্যদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে বিশেষ কৌতূহল ও আবেগ সৃষ্টি করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তাহসিনা রুশদী…
