জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির মরদেহ এখন স্বদেশের মাটিতে। দীর্ঘ এক সপ্তাহের লড়াই শেষে সিঙ্গাপুর থেকে ফেরা এই বীরের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে গোটা দেশ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে যে, শহীদ হাদির নামাজে জানাজা আগামীকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় জানাতে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর থেকে কড়া পাহারায় তার মরদেহ রাজধানীর জাতীয়…
Author: News Desk
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহাদাতবরণ করা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার শরীফ ওসমান হাদির শেষ ইচ্ছা ও পরিবারের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এর মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর এই নির্ভীক কলম সৈনিক ও বিপ্লবী নেতাকে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করার সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। আজ সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে শহীদ হাদির মরদেহ বহনকারী কফিনটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মরদেহটি…
সিঙ্গাপুরে সাত দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে বিজয়ী বেশে স্বদেশের মাটিতে ফিরে এলেন জুলাই অভ্যুত্থানের বীর সেনানি এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি (বিজি-৫৮৫) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয় নেতার নিথর দেহ বহনকারী কফিনটি যখন বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করে, তখন বিমানবন্দরে উপস্থিত হাজার হাজার অনুসারী ও সাধারণ মানুষের গগনবিদারী স্লোগানে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ শাখা থেকে হাদির মরদেহ দেশে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেট দিয়ে মরদেহটি বের করার…
“হারাম খেয়ে আমি এত মোটাতাজা হইনি যে আমার জন্য বিশেষ কোনো কফিনের প্রয়োজন হবে! খুবই সাধারণ একটা কফিনে হালাল রক্তের হাসিমুখে আমি আমার আল্লাহর কাছে হাজির হব।” — ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের বীর সেনানি শহীদ শরীফ ওসমান হাদির এই কালজয়ী উক্তিটি আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। মৃত্যুর পর আজ দুপুরে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্টের মাধ্যমে তার এই অন্তিম আকাঙ্ক্ষার কথা দেশবাসীকে জানানো হয়। পোস্টটির সাথে যুক্ত করা হয়েছে একটি সাধারণ কাঠের কফিনের ছবি, যা দেখে অগণিত মানুষের চোখে আজ জল ঝরছে। শহীদ ওসমান হাদি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন…
জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রাণপুরুষ এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির নির্মম হত্যাকাণ্ডে পুরো দেশ যখন ক্ষোভে ফুঁসছে, তখন রাজধানীর শাহবাগে দেখা গেল এক মানবিক ও আবেগঘন দৃশ্য। গতরাত থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের ধারায় আজ শুক্রবার সকালেও যখন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা রাজপথ আগলে রেখেছেন, তখন তাদের প্রতি মমত্ববোধ নিয়ে ছুটে এসেছেন রাশিদা রহমান নামে এক ষাটোর্ধ্ব গৃহিণী। নিজের জমানো টাকা দিয়ে কেনা কলা, পাউরুটি, খেজুর ও শুকনো খাবার নিয়ে তিনি হাজির হয়েছেন আন্দোলনকারীদের পাশে, যা এই উত্তাল পরিস্থিতির মাঝেও এক অনন্য সংহতির নজির স্থাপন করেছে। রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী থেকে আসা রাশিদা রহমান জানান, ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে তিনি প্রচণ্ড…
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির অকাল প্রয়াণে শোক ও ক্ষোভের যে আগুন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায়। গত ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণাকালে বর্বরোচিত হামলার শিকার হওয়া এই তরুণ নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজধানী জুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির জেরে গতরাতের পর আজ শুক্রবার সকালেও ধানমন্ডি ৩২ নম্বরস্থ শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে পুনরায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষুব্ধ জনতা সেখানে জড়ো হয়ে স্লোগান ও ভাঙচুরের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। আজ সকালে সরেজমিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষ ওই বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ…
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের অগ্রসেনানি শরীফ ওসমান হাদির শাহাদাতবরণে উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে ছাত্র-জনতার প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। আজ শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি শহীদ হাদির হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা, সন্ত্রাসী আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের মূলোৎপাটন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তবে এই দীর্ঘ লড়াইয়ে কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। ডাকসু ভিপি তার বিবৃতিতে শহীদ ওসমান হাদির আদর্শের কথা স্মরণ করে বলেন, “শহীদ হাদি ভাই কখনোই সহিংসতার মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী…
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসেনানি এবং ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর শরীফ ওসমান হাদির পার্থিব দেহ আজ সন্ধ্যায় স্বদেশে ফিরে আসছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে টানা ছয়দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শাহাদাতবরণ করেন। তার এই অকাল ও বিয়োগান্তক মৃত্যুতে পুরো দেশে শোকের আবহ বিরাজ করছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহবাহী বিশেষ বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে এবং আগামীকাল শনিবার বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ শুক্রবার সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে (বিজি ৫৮৫) শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ নিয়ে…
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অকুতোভয় যোদ্ধা এবং ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ। শুক্রবার সকাল থেকেই ছাত্র-জনতার ঢল নামতে শুরু করে ঐতিহাসিক এই মোড়ে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিক্ষোভের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং সমাবেশ থেকে আন্দোলনকারীরা ভারতীয় পণ্য বয়কটের জোরালো ডাক দেন। তারা এই হত্যাকাণ্ডকে নিছক কোনো অপরাধ হিসেবে নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এবং বিদেশি আধিপত্যবাদের নীলনকশা হিসেবে অভিহিত করেছেন। আজ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শাহবাগের ‘৩৬ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ প্রাঙ্গণে সমবেত হতে থাকেন শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। ব্যানার, ফেস্টুন আর জাতীয় পতাকা হাতে বিক্ষুব্ধ জনতা ‘ভারতীয় পণ্য, বয়কট-বয়কট’, ‘দিল্লি…
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির প্রথম জানাজা দেশটিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। সিঙ্গাপুর সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি বা ‘ক্লিয়ারেন্স’ না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন এক আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গতকাল রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ওসমান হাদি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর সেখানে তার প্রথম জানাজা আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু স্থানীয় আইনি প্রক্রিয়া এবং প্রোটোকল অনুযায়ী যথাযথ অনুমতি না মেলায় জানাজা অনুষ্ঠান করা সম্ভব হচ্ছে…
