জাতীয় রাজনীতি, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং বর্তমান প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে তোপখানা রোডে এক আলোচনা সভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, দেশে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রয়োজন হবে কি না, তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে বর্তমান সরকারের পারফরম্যান্সের ওপর।
শনিবার তোপখানা রোডের বিএমএ ভবন মিলনায়তনে জাতীয় যুবশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। ‘তারুণ্যের ঐক্য: নতুন বাংলাদেশের শক্তি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন নাহিদ ইসলাম। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন বিভিন্ন বিষয়ে নানা গুঞ্জন চলছে, ঠিক তখনই তার এই বক্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিল।
বক্তব্যের শুরুতেই দেশের বর্তমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও নাগরিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন এনসিপি আহ্বায়ক। নির্বাচন হলেই দেশের পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটবে— এমন ধারণার বিরোধিতা করে তিনি বলেন, কেউ কেউ ভাবছেন একটি সাধারণ নির্বাচন দিলেই বুঝি সব সংকটের সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র আমাদের ভিন্ন কথা বলছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি পূর্বের চেয়ে আরও কয়েকগুণ বেশি নাজুক হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে পারছে না। এই অবস্থায় সরকারকে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে নিজেদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের উদ্দেশ্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, আপনারা আগে আপনাদের মূল দায়িত্বগুলো ঠিকভাবে পালন করে দেখান। জনমানুষের মৌলিক চাহিদা এবং নাগরিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করাই একটি সফল সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত। আপনাদের দৈনন্দিন কাজের পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করে দেবে যে, দেশে এই মুহূর্তে কোনো মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রয়োজন রয়েছে কি না।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা বারবার ক্ষমতার পালাবদলের কারণে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের নতুন ভোগান্তির শিকার হোক, তা আমরা চাই না। একই সাথে কোনো বৈশ্বিক পরাশক্তি বা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সম্পদ বন্ধক রাখার যেকোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে এ দেশের সচেতন সমাজ কোনোভাবেই বরদাশত করবে না।
দেশের চলমান স্বাস্থ্য সংকটের প্রতি সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান অতিথি। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্তমানে হামের প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যেই চার শতাধিক নিরীহ শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও একটি স্বাধীন দেশের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।
এই চরম স্বাস্থ্য সংকটের সম্পূর্ণ ব্যর্থতার দায় বর্তমান প্রশাসনকে নিতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, এই মহামারিসদৃশ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আর কোনো কালক্ষেপণ না করে অতিসত্বর দেশে একটি ‘মেডিকেল ইমার্জেন্সি’ বা জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা ঘোষণা করা উচিত।
সংকট নিরসনে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে দেশের প্রধান প্রধান কয়েকটি বড় হাসপাতালকে শুধুমাত্র হাম আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানের জন্য বিশেষায়িত করার প্রস্তাব দেন তিনি। সরকার নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে অন্য কোনো পক্ষের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা প্রকৃত অপরাধী বা যাদের গাফিলতিতে এই প্রাণহানি ঘটছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার ও পরিবর্তনের যে একগুচ্ছ স্বপ্ন দেখিয়ে এই সরকার দায়িত্ব নিয়েছিল, আজ তারা সাধারণ জনগণের সাথে সেই প্রতিশ্রুতির খেলাপ করছে। দেশের মানুষ বিপুল উৎসাহ নিয়ে যে গণভোটের রায় দিয়েছিল, বর্তমান প্রশাসন অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সুশাসনের জন্য অতীব জরুরি ছিল এমন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ ও আইনি সংস্কারকে সরকার বাতিল করে দিয়েছে। বিশেষ করে দেশের যুবসমাজের জন্য দেওয়া সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি— অর্থাৎ এক কোটি নতুন কর্মসংস্থানের যে বিশাল ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, মাঠ পর্যায়ে তার কোনো বাস্তব প্রতিফলন বা দৃশ্যমান অগ্রগতি এখনও সাধারণ মানুষের চোখে পড়েনি।
ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবসের এই বিশেষ দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এনসিপি প্রধান। তিনি ভারতের সাথে বাংলাদেশের অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টন সংকটের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ তার ন্যায্য পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত অভিন্ন প্রায় প্রতিটি নদীতে একতরফাভাবে বাঁধ নির্মাণ করে শুষ্ক মৌসুমে পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে, যার ফলে বাংলাদেশের কৃষি ও পরিবেশ আজ ধ্বংসের মুখে। চলতি বছরেই ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের হিস্যা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা দেখতে চাই, এই নতুন প্রশাসন পূর্বের রাজনৈতিক দলগুলোর মতো নতজানু নীতি অবলম্বন করে নাকি ভারতীয় আধিপত্যের বাইরে গিয়ে দেশের জনগণের পানির প্রকৃত অধিকার আদায় করতে পারে। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে কোনো অসম চুক্তি এ দেশের মানুষ আর মেনে নেবে না।
সীমান্তে ঘটে চলা নিয়মিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত আজ বিশ্বের অন্যতম রক্তাক্ত সীমান্তে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে এ পর্যন্ত আমাদের হাজারেরও বেশি নিরীহ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। মওলানা ভাসানী যেমন ফারাক্কা লং মার্চ করেছিলেন, দেশের প্রয়োজনে আমরাও ‘সীমান্ত লং মার্চ’ করতে বাধ্য হব।
দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো আন্তর্জাতিক পরাশক্তির পারস্পরিক দ্বন্দ্বের ‘প্লে গ্রাউন্ড’ বা ক্রীড়াক্ষেত্র হতে পারে না। আমাদের জাতীয় পররাষ্ট্রনীতি সর্বদা দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে তৈরি করতে হবে, কোনো বিদেশি প্রভুদের সন্তুষ্ট করার জন্য নয়।
বিগত দিনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল যেভাবে সর্বদা ভারতের মুখাপেক্ষী হয়ে রাজনীতি পরিচালনা করত, বর্তমান সরকারও যদি অন্য কোনো পরাশক্তির লেজ ধরে দেশ চালাতে চায়, তবে জনগণ তা প্রতিহত করবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত জ্বালানি চুক্তি এবং অন্তর্বর্তীকালীন মেয়াদের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে করা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
এই ধরনের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিগুলো বন্ধ দরজার পেছনে না করে সরাসরি জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সম্পন্ন করার তাগিদ দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দলের যৌথ আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতেই এসব চুক্তি হওয়া উচিত। এই চুক্তিগুলো দেশের জন্য ক্ষতিকর কি না এবং জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত আছে কি না, তা জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে।
দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চেয়েছিলেন উল্লেখ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, আমরা চেয়েছিলাম একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু সরকার নিজেই সেই সহযোগিতার পথ বন্ধ করে দিয়েছে। সংসদের প্রথম অধিবেশনটি যেভাবে ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হলেন মহান রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের সন্তান। শহীদ জিয়া রাষ্ট্র পরিচালনায় যতটা সফল ও দূরদর্শী ছিলেন, তার সন্তান হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঠিক ততটাই ব্যর্থতার দিকে ধাবিত হচ্ছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক।
শাসনব্যবস্থায় পেশাদারিত্বের অভাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র কখনো কেবল পিআর (জনসংযোগ) স্ট্র্যাটেজি বা কৃত্রিম প্রচারণার ওপর ভিত্তি করে চলতে পারে না। যারা দেশ চালানো বাদ দিয়ে কেবল সস্তা প্রচারণা ও জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চান, তাদের উদ্দেশ্যে বলব— আপনারা রাজনীতি ছেড়ে নাটক, সিনেমা কিংবা থিয়েটারে গিয়ে অভিনয় করুন।
দেশ পরিচালনার মতো জটিল কাজ সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে তামাশা করার জায়গা নয়। মন্ত্রিসভায় যোগ্য ও সৎ মানুষদের অবমূল্যায়ন করে বিভিন্ন দলের ক্যাশিয়ার বা অর্থদাতাদের মন্ত্রী বানানোর তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তিনি অবিলম্বে এই সমস্ত বিতর্কিত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে দেশপ্রেমিক ও দক্ষ প্রযুক্তিবিদদের হাতে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব অর্পণের দাবি জানান।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের সীমান্তে তীব্র হিন্দুত্ববাদের উত্থান ঘটছে। সেখান থেকে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে পুশ-ইন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ও এ দেশের শান্তিকামী মানুষকে নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক বিশাল ষড়যন্ত্রের জাল বোনা হচ্ছে।
তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান সরকারের যে দুর্বল নীতি ও কূটনৈতিক ব্যর্থতা আমরা দেখছি, তাতে এই প্রশাসনের পক্ষে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। দেশের প্রতিটি নাগরিককে এই সমস্ত ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সর্বদা সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের অনুসারীদের ঝটিকা মিছিল ও তৎপরতার তীব্র সমালোচনা করেন এনসিপি নেতা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার ছত্রছায়ায় এবং কার ইশারায় এই সমস্ত ফ্যাসিবাদীরা আবার রাজপথে মিছিল করার সাহস পাচ্ছে? এই বিষয়ে আমরা বর্তমান প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জবাবদিহি করতে বাধ্য করব।
জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সাহসী যোদ্ধা কারিনা কায়সারের সাম্প্রতিক মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একজন বীর যোদ্ধার বিদায়ের পর ফ্যাসিবাদী শক্তির এই বুনো উল্লাস আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। আমরা সমাজে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তবে এই বুনো উল্লাসের সাথে জড়িতদের অন্যায় কর্মকাণ্ড এ দেশের ছাত্র-জনতা চিরকাল মনে রাখবে।
জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুব নেতারা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। রাজধানী ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত যুব কর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি শেষ পর্যন্ত দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের এক অন্যতম প্রতিবাদী মঞ্চে পরিণত হয়।

