রাজধানীর মিরপুরের বিকেলের ব্যস্ত সড়কের জনস্রোত হঠাৎ কিছুটা ধীর ও থমকে গেল। মাইকের গমগমে শব্দ, লিফলেট বিতরণের প্রবল তোড়জোর আর উৎসুক পথচারীদের ভিড়ে এক অন্যরকম রাজনীতির উত্তাপ তৈরি হয়েছিল পুরো এলাকায়।
ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সামনে রেখে গঠিত নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সরাসরি কড়া রাজনৈতিক তীর ছুড়লেন ক্ষমতাসীন দল বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে।
তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, বিগত গণঅভ্যুত্থানের মূল পরাজিত শক্তি এবং বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও তাদের সাথে তলে তলে সুগভীর রাজনৈতিক আঁতাত গড়ে তুলেছে বিএনপি।
ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা কিংবা রাজপথের নতুন প্রতিবাদী শক্তিগুলোকে প্রতিহত করার কুটিল উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগকে পুনরায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা দরকার, বর্তমান বিএনপি সরকার ঠিক তা-ই করছে বলে দাবি করেন তিনি।
রোববার বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে এনসিপি আয়োজিত এক বিশাল পথসভা, লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে দেশের বিশিষ্ট সংবাদকর্মীদের সামনে এই তিক্ষ্ণ ও বিস্ফোরক বক্তব্য তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট, সাবলীল ও চড়া সুরে বলেন যে, দেশজুড়ে এখন এক নতুন ধরণের নজিরবিহীন দলীয়করণের জঘন্য উৎসব ও অশুভ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের রক্তঘামে অর্জিত আকাক্সক্ষাকে অকাতরে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জোরালো ভাষায় অভিযোগ করে বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও জনগণের করের টাকায় অর্জিত অর্থ অকাতরে ব্যয় করে কেবল নিজেদের রাজনৈতিক ব্র্যান্ডিং এবং দলীয় প্রচার-প্রচারণায় মত্ত হয়ে উঠেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার।
আমজনতা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে স্পষ্ট রাজনৈতিক রায় এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট পথ তৈরি করে দিয়েছিল, বর্তমান শাসকগোষ্ঠী প্রতি পদে পদে সেই গণরায়কে চরমভাবে অবমাননা ও খাটো করছে বলে কড়া দাবি করেন তিনি।
বিপ্লবের মূল সুমহান চেতনাকে পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে পুরোনো দুর্নীতিগ্রস্ত ও সুবিধাবাদী রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ফিরিয়ে আনার এক গভীর চক্রান্তমূলক অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে মন্তব্য করে গণসংযোগে উপস্থিত জনতার মাঝে নতুন সতর্কবার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এমন এক থমথমে, অনিশ্চিত ও চরম সংবেদনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের অস্তিত্ব, স্বাতন্ত্র্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে দেশের আপামর ছাত্র-জনতাকে পুনরায় এক ছাতার নিচে চলে আসার আকুল ও জরুরি আহ্বান জানান এনসিপির প্রধান আহ্বায়ক।
তিনি অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, গত জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী ও অগ্নিঝরা দিনগুলোতে যেভাবে সব দলীয় ভেদাভেদ ভুলে দেশের সব প্রান্তের রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক মানুষ পরম সাহসে একতাবদ্ধ হয়েছিল, দেশকে চরম বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে আবার সেভাবেই সবাইকে প্রস্তুত হয়ে রাজপথে নামতে হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও যোগ করেন যে, ক্ষমতার হাতবদল হয়ে যদি আবার পুরোনো অপশাসন ও দুঃশাসনই ভিন্ন চেহারায় চেপে বসে, তবে শহীদদের পবিত্র রক্তদান ও হাজারো পঙ্গু হওয়া তরুণের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ চিরতরে বৃথা হয়ে যাবে। তরুণেরা এবার আর নিশ্চুপ দর্শকের মতো বসে থাকবে না।
মিরপুর শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া এবং এর আশেপাশের গলি থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত এই গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে এনসিপির শত শত উদ্যমী নেতাকর্মী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন আমজনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
একই সমাবেশ ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে দেশের বর্তমান নড়বড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দিনদিন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়া অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
তিনি বিগত নির্বাচনের সময়ে ক্ষমতাসীনদের দেওয়া নানামুখী মধুর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সাধারণ জনগণকে একসময় বোঝানো হয়েছিল যে দেশে কেবল একটা জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হয়ে গেলেই নাকি জাদুমন্ত্রের মতো সব জটিল সমস্যার রাতারাতি অলৌকিক সমাধান হয়ে যাবে।
কিন্তু বাস্তবে নির্বাচন পার হয়ে ক্ষমতার মসনদে বসে সরকার গঠিত হলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন দুখ-দুর্দশা ও জীবনের কষ্ট কমা তো দূরের কথা, কোনো প্রশাসনিক কিংবা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের ন্যূনতম কোনো প্রতিফলন ঘটেনি।
আখতার হোসেন দেশের বর্তমান জননিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ভঙ্গুর অবস্থা নিয়ে সরাসরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁর চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যর্থতার তীব্র ও ক্ষুরধার সমালোচনা করেন।
তিনি কড়া ও সরাসরি ভাষায় বলেন, রাজধানী ঢাকা শহরসহ সারা দেশের আনাচে-কানাচে প্রতিদিন নিরীহ পথচারী, সাধারণ চাকরিজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর যেভাবে অস্ত্র দেখিয়ে প্রকাশ্যে ছিনতাই ও নির্লজ্জ চাঁদাবাজি চলছে, তা বন্ধ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
অলিগলির ক্ষুদ্র ভাসমান দোকান থেকে শুরু করে বড় বড় রুট ও গণপরিবহন খাত—সব জায়গায় এখন নির্লজ্জ চাঁদাবাজির নতুন সব সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী নতুন মুখের একচ্ছত্র রাজত্ব তৈরি হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ করেন এনসিপির এই শীর্ষ সংগঠক।
নির্বাচনের সুযোগ নিয়ে ক্ষমতার মসনদে এসেও এই সরকার জনগণের জানমালের ন্যূনতম নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে এনসিপির সদস্যসচিব জানান যে, সাধারণ মানুষ আজ আবার এক নতুন ধরণের ভীতি ও অনিশ্চয়তার ঘোর অমাশার মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা মিরপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির এই গণসংযোগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুর থেকেই তরুণের স্রোত ও উৎসুক জনতার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নেতাকর্মীদের হাতে হাতে শোভা পাচ্ছিল এনসিপির নতুন ছাপানো লিফলেট।
দলের সক্রিয় নেতাকর্মীরা গণসংযোগকালে সাধারণ পথচারী, রিকশাচালক, বাসযাত্রী, ক্ষুদ্র হকার ও স্থানীয় দোকানদারদের সাথে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং একটি নতুন সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও বার্তা পৌঁছে দেন।
ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিট ও আকাক্সক্ষাকে অক্ষুণ্ণ রেখে কীভাবে একটি প্রকৃত বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করা যায়, বিতরণ করা লিফলেটে সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত রাজনৈতিক রূপরেখা ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছিল।
পথসভার সুযোগে এনসিপির ক্ষুরধার বক্তারা বলেন, কোনো নির্দিষ্ট পরিচিত দুর্নীতিগ্রস্ত ক্ষমতাধর গোষ্ঠী কিংবা পুরোনো সুবিধাবাদী সিন্ডিকেটের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দেওয়ার জন্য রাজপথে তরুণেরা নিজেদের বুক পেতে দিয়ে তাজা রক্ত ঢেলে দেয়নি।
ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের সাম্প্রতিক নানা বিতর্কিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও নীতিগত স্থবিরতার কারণে সাধারণ মানুষের মনে যে গভীর হতাশা ও সংশয়ের জন্ম হয়েছে, মিরপুরের এনসিপির এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে মূলত সেই জনক্ষোভেরই সোচ্চার প্রতিফলন ঘটল।
বিশেষ করে রাজপথের আন্দোলন থেকে ছিটকে পড়া ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদের দোসর ও অপরাধীরা যেভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং গোপনে প্রশাসনিক সুবিধা পাচ্ছে, তা নিয়ে দিন দিন তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ বাড়ছে দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের মাঝে।
মিরপুরের খোলা রাজপথ থেকে দেওয়া এনসিপির এই সরাসরি ও কড়া হুঙ্কার আগামী দিনের জাতীয় রাজনীতিতে এক সম্পূর্ণ নতুন মাত্রার জন্ম দিল এবং অদূর ভবিষ্যতে রাজপথের শক্তিগুলোর ক্ষমতার সমীকরণ নতুন করে বদলে যাওয়ার স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিল।
দেশের সুশীল সমাজ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে রাজপথে নতুন ধারার বিরোধীদের এমন শক্ত ও আপসহীন অবস্থান না থাকলে যেকোনো ক্ষমতাসীন সরকারই খুব দ্রুত স্বৈরাচারী ও জনবিচ্ছিন্ন রূপ ধারণ করতে পারে, যা এনসিপি রোধ করার চেষ্টা করছে।
তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক সচেতনতামূলক গণসংযোগ কর্মসূচি কেবল সাধারণ প্রচারণায় বা দলীয় ব্যানারে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি মূলত শোষিত ও হতাশ সাধারণ জনগণকে একটি যৌথ প্ল্যাটফর্মে সংগঠিত করার এক বৃহৎ সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রয়াস।
দেশের প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশচুম্বী দাম ও সিন্ডিকেট দমন করা এবং রাজনৈতিক সমঝোতার নামে যেকোনো গোপন আঁতাত চিরতরে বন্ধ করার সুনির্দিষ্ট ও অলঙ্ঘনীয় দাবি উঠেছে দলটির নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে।
যদি সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অতি দ্রুত দেশের অপরাধ চক্র, চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বাস্তবমুখী ও দৃশ্যমান কোনো কঠোর প্রশাসনিক অভিযান না চালানো হয়, তবে রাজপথ আবার নতুন কোনো গণআন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আভাস দেওয়া হচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তারা তাদের নীতিগত রাজনৈতিক লড়াই কেবল মিরপুর এলাকাতেই থমকে রাখবে না; বরং রাজধানী ঢাকার প্রতিটি থানা, মহল্লা ও ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে এই ধরণের লিফলেট বিতরণ ও সোচ্চার পথসভা কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।
নতুন এই তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক বিপ্লব ও জাগরণ প্রমাণ করে যে, দেশের রাজনীতিতে কেবল শাসক দলের নাম পরিবর্তন কিংবা মুখ বদল করাই যথেষ্ট নয়; বরং রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল সংস্কার ও নীতির গুণগত পরিবর্তন আনাই হলো আসল চ্যালেঞ্জ।
মিরপুরের রোববারের বিকেলবেলার ওই উন্মুক্ত পথসভায় জড়ো হওয়া শত শত সাধারণ মানুষের তুমুল করতালি, সম্মতি ও জোরালো সমর্থন এনসিপির তরুণ নেতাকর্মীদের হৃদয়ে এক নতুন শক্তি ও গভীর আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার করেছে।
তারা উপস্থিত জনতার সামনে দীপ্ত কণ্ঠে অঙ্গীকার করে যে শহীদদের পবিত্র রক্ত ও সাধারণ মানুষের ত্যাগের সাথে কোনো ধরণের নোংরা রাজনৈতিক আপস বা বিশ্বাসঘাতকতা সহ্য করা হবে না এবং রাজপথে থেকেই সরকারের যেকোনো ভুল ও গণবিরোধী সিদ্ধান্তের জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে যাওয়া হবে।
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নতুনভাবে অর্জিত সাম্য রক্ষায় তরুণদের এমন সংগঠিত হওয়া ও রাজপথে কড়া পাহারা বসানোর প্রক্রিয়াকে দেশের রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও সচেতন নাগরিক সমাজ অত্যন্ত ইতিবাচক ও সময়োপযোগী দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছেন।
ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে পুরোনো জরাজীর্ণ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার সাথে রাজনৈতিক রফাদফা করার এই অশুভ চক্রান্ত চিরতরে বন্ধ করার তাগিদ এসেছে মিরপুরের এই জনবহুল প্রচার সভা থেকে।
রবিবার বিকেলের এই ফলপ্রসূ গণসংযোগ কর্মসূচির অভূতপূর্ব সাফল্য এনসিপিকে দেশের বর্তমান রাজনীতিতে এক সোচ্চার, দায়িত্বশীল ও প্রধান বিরোধী প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে জনসমক্ষে নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করতে সাহায্য করল।
এখন সচেতন দেশবাসীর নজর থাকবে এনসিপির তোলা এই সুনির্দিষ্ট ও মারাত্মক রাজনৈতিক অভিযোগগুলোর বিষয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষ থেকে কী জবাব আসে এবং আগামী দিনের দেশের রাজনীতি কোন নতুন বাঁকে মোড় নেয়।
তবে মিরপুরের রাজপথ থেকে উঠে আসা বারতায় এক কথা অত্যন্ত সুনিশ্চিতভাবে পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, নতুন বাংলাদেশের রাজপথে মানুষের অধিকার ও সম্মান আদায়ের এই নতুন লড়াই এত সহজে থেমে যাবে না।

