দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন করে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের হামে আক্রান্ত হওয়ার খবর। নির্ধারিত সময়ে টিকাদান কার্যক্রম চালানো সত্ত্বেও দেশের নানা প্রান্তে বেশ কিছু শিশু প্রয়োজনীয় প্রতিষেধক পাওয়া থেকে বাদ পড়ে গেছে। বাদ পড়া এই শিশুদের খুঁজে বের করে আবারও পূর্ণাঙ্গ টিকাদান ক্যাম্পেইন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশজুড়ে এই বিশেষ স্বাস্থ্য কর্মসূচি নতুন করে শুরু হতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দেশের শিশু স্বাস্থ্য, টিকার ঘাটতি এবং সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, এর আগের প্রধান টিকাদান ক্যাম্পেইনে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি সংখ্যক শিশুকে প্রতিষেধক দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। তবুও ভৌগোলিক দুর্গমতা, সচেতনতার অভাব এবং পারিবারিক নানা ব্যস্ততার কারণে কিছু শিশু টিকার আওতার বাইরেই রয়ে গেছে। বাদ পড়ে যাওয়া এই শিশুদের শরীরেই এখন রোগটি দেখা দিচ্ছে, যা পুরো এলাকার জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন এক ঝুঁকির বার্তা দিচ্ছে।
কেন টিকার আওতা থেকে বাদ পড়ল শিশুরা
টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হওয়ার পরও কেন শিশুরা বাদ পড়ল, সেই প্রশ্নের এক গভীর বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি জানান, প্রধান ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পর মাঠপর্যায়ের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে আসেননি।
অনেক কর্মজীবী মা জানিয়েছেন, জীবিকার তাগিদে বা কাজের চাপে তারা সঠিক সময়ে সন্তানকে কেন্দ্রে নেওয়ার সময় পাননি। আবার অনেক অভিভাবক ভুলবশত টিকাদানের দিনক্ষণ মনে রাখতে পারেননি। কেউ কেউ ভেবেছিলেন স্কুলে টিকাদান দল এলে শিশুরাই টিকা পেয়ে যাবে।
ফলে বহু শিশু প্রথম দফার প্রতিষেধক গ্রহণ করা থেকে ড্রপ-আউট বা বাদ পড়ে যায়। এই প্রশাসনিক ও সামাজিক অসচেতনতার ফাঁক গলেই মূলত হামের জীবাণু আবার ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। বাদ পড়া শিশুরা সংক্রমণ ছড়ানোর সহজ মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।
১ কোটি ২৫ লাখের বিপরীতে ১ কোটি ৮৯ লাখের হিসাব
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাঠপর্যায়ের টিকার অদ্ভুত এক পরিসংখ্যান সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, সরকার প্রাথমিক পর্যালোচনায় ১ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল। কিন্তু মাঠপর্যায়ে যখন ক্যাম্পেইন চালানো হয়, তখন সব মিলিয়ে ১ কোটি ৮৯ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছিল।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রাথমিক হিসাবের বাইরেও বিপুল সংখ্যক নতুন শিশু এই সময়ের মধ্যে জন্ম নিয়েছে অথবা তালিকায় যুক্ত হয়েছে। ফলে কাগজে-কলমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি টিকাদান সম্পন্ন হলেও শতভাগ সুরক্ষার বা পূর্ণ কভারেজের সেই কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম সবাই সুরক্ষিত। কিন্তু নতুন শিশু যুক্ত হওয়া এবং কিছু শিশু বাদ পড়ার কারণে এক ধরনের বড় শূন্যতা বা ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। আর এই বৈষম্যের ফলেই বাদ পড়া শিশুদের মধ্যে এখন আবার হাম দেখা দিচ্ছে।”
মে মাসের পর থেকে মোছাল ‘মপ-আপ’ কার্যক্রম
টিকা না পাওয়া শিশুদের দ্রুত সুরক্ষার আওতায় আনতে ২০ মে মূল টিকাদান ক্যাম্পেইন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতির গভীরতা অনুধাবন করে তার পরদিন অর্থাৎ ২১ মে থেকেই শুরু করা হয়েছিল বিশেষ ‘মপ-আপ’ কার্যক্রম।
এই মপ-আপ কর্মসূচির মূল কাজ হলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিংবা দুর্গম এলাকায় পৌঁছে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে প্রতিষেধক দেওয়া। এই উদ্যোগের ফলে দেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলেই বাদ পড়া শিশুদের কাছে টিকার ডোজেস পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।
বিশেষ করে সিলেটে এই উদ্যোগের সুফল মিলেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সিলেটে প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রার বাইরে গিয়েও নতুন করে আরও তিন হাজারের বেশি শিশুকে চিহ্নিত করে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রাদুর্ভাব রুখতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সিলেট ও বান্দরবানের ভৌগোলিক দুর্গমতার বড় বাধা
স্বাস্থ্যসেবা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলের ভৌগোলিক গঠন বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। সিলেট বিভাগের বিস্তীর্ণ হাওর অঞ্চল এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবানের গহীন পাহাড়ি এলাকাগুলো এই দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বীকার করেন যে, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় বান্দরবানের কিছু পাহাড়ি গ্রামে প্রাথমিক দফায় পর্যাপ্ত টিকা পৌঁছাতে সামান্য বিলম্ব হয়েছিল। তবে তথ্য পাওয়া মাত্রই সেখানে বিশেষ বিমান ও জরুরি বাহনে টিকার কোল্ড-চেইন বজায় রেখে রসদ পাঠানো হয় এবং শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়।
একইভাবে সিলেটের হাওর অঞ্চলকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করছে মন্ত্রণালয়। হাওরের পানিবেষ্টিত জনপদগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ইতিমধ্যেই কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো একটি শিশুও এই স্বাস্থ্য সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক
মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচির সুফল শতভাগ নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে গ্রাম ও হাওর পর্যায়ে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা ছাড়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করা প্রায় অসম্ভব।
সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেলেই সিলেটের সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নিয়ে দুটি পৃথক ও গুরুত্বপূর্ণ যৌথ বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এই বৈঠকে স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রত সমাধান দেওয়ার কৌশল ঠিক করা হচ্ছে।
মন্ত্রী ঘোষণা দেন, “আগামী দুই দিনের মধ্যেই সিলেটের প্রতিটি উপজেলায় আগামী মাসের মূল ক্যাম্পেইনের আগে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়ে যাবে। আমরা চাই না আমাদের অসচেতনতার কারণে একটি শিশুও এই প্রতিরোধযোগ্য রোগে কষ্ট পাক বা মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ুক।”
গ্রামের অবৈধ ক্লিনিক ও ভূয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর মোবাইল কোর্ট
সিলেট সফরের সময় কেবল সরকারি হাসপাতালই নয়, গ্রামের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চেপে বসা অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের অপতৎপরতা নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি জানান, দেশের প্রতিটি জেলায় জেলা সিভিল সার্জনদের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে একটি করে শক্তিশালী মনিটরিং টিম কাজ করছে। যেখানেই অনুমোদনহীন ক্লিনিক বা ভুয়া চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রশাসনের এই অভিযানে অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে মোটা অঙ্কের জরিমানাসহ সেসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব ক্লিনিকে উপযুক্ত ‘লেবার রুম’ বা নিরাপদ প্রসূতি কক্ষ নেই, সেগুলোকে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে সরাসরি বন্ধ করে দিচ্ছে প্রশাসন।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভিযান এবং ছয় মাসের বিশেষ আলটিমেটাম
দেশের কিছু জায়গায় চরম ঝুঁকি নিয়ে কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ বা বৈধ সনদ ছাড়াই টেকনিশিয়ান এবং ভুয়া ডাক্তারদের দিয়ে প্রসূতিদের জটিল অপারেশন বা সিজারিয়ান করানোর অভিযোগ পেয়েছে মন্ত্রণালয়। এই চক্রের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে সরকার শূন্য সহনশীলতা নীতি বা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
নিজের সুরক্ষার কথা না ভেবে এই কঠোর অভিযান চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “আমি নিজে ব্যক্তিগত ঝুঁকি নিয়ে এসব অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছি। আমরা দেশের প্রতিটি মানুষকে সঠিক ও নিরাপদ চিকিৎসা দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে চাই।”
জনসাধারণ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, “আমাদের কিছুটা সময় দিতে হবে। অন্তত ছয়টি মাস সময় দিন। এই ছয় মাসের মধ্যে দেশের অবৈধ ও ভুয়া চিকিৎসার এই যে বিশৃঙ্খলা চলছে, তা আমরা পুরোপুরি বন্ধ করে দেব ইনশাআল্লাহ।”
হাসাপাতালে চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি এবং খাদ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন
সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের না থাকা এবং রোগীদের সঙ্গে বাজে আচরণের দীর্ঘদিনের যে অভিযোগ ছিল, তাতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি জানান, গত এক মাসে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের ২৫টিরও বেশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতাল হঠাৎ করে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পরিদর্শন করেছেন। এই ঝটিকা পরিদর্শনের সুফল হাতেনাতেই মিলতে শুরু করেছে।
মন্ত্রী বলেন, “আমি যেসব হাসপাতালে গিয়েছি, প্রায় সব জায়গাতেই চিকিৎসকদের প্রায় শতভাগ উপস্থিতি নিজের চোখে পেয়েছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি রাখায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এখন অনেক বেশি দায়িত্বশীল আচরণ করছেন।”
রোগীদের মুখে স্বস্তির কথা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিবর্তন
পরিদর্শনের সময় শুধু চিকিৎসকদের সঙ্গেই নয়, শয্যাশায়ী রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গেও সরাসরি কথা বলেন মন্ত্রী। রোগীরা তাকে জানিয়েছেন যে, সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কড়া নজরদারির কারণে এখন ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহারের অনেক উন্নতি হয়েছে।
পূর্বে সরকারি হাসপাতালের খাবারের মান নিয়ে নানা কটু কথা শোনা গেলেও বর্তমানে খাবারের মান অনেক উন্নত হয়েছে। দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন, ওয়ার্ডগুলোর ভেতরে পোকা-মাকড়, ইঁদুর কিংবা তেলাপোকার যে মারাত্মক উপদ্রব ছিল, তা এখন অনেকাংশেই কমে এসেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, “আমাদের লক্ষ্য পুরো ব্যবস্থাটাকে ঢেলে সাজানো। যেসব হাসপাতালে এখনো পরিচ্ছন্নতা বা অন্য কোনো সমস্যা রয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় সেগুলোর সমাধান করা হবে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে আলো-বাতাসের ব্যবস্থা—সবকিছু আমরা ঠিক করব।”
নতুন প্রত্যাশা ও জনস্বাস্থ্যের চূড়ান্ত সুরক্ষার পথ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই সিলেট সফর এবং পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য নীতিতে এক নতুন প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি করেছে। একদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে হাম মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার, অন্যদিকে প্রান্তিক পর্যায়ে অবৈধ ক্লিনিক বন্ধে সরকারের এই সাঁড়াশি অভিযান—দুই মিলে এক ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় দফার এই পূর্ণাঙ্গ টিকাদান ক্যাম্পেইন কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন সুরক্ষার এক চূড়ান্ত লড়াই। সিলেটের হাওর থেকে শুরু করে বান্দরবানের পাহাড়ি ঢাল—সব জায়গায় যেন এবার টিকার সঠিক ডোজ পৌঁছাতে পারে, সেটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা।
সব ভুল-ত্রুটি পেছনে ফেলে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক এবং মানবিক স্বাস্থ্য খাত প্রতিষ্ঠার যে ছয় মাসের আলটিমেটাম স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিলেন, তার বাস্তব প্রতিফলন কতটুকু ঘটে, এখন সেটিই দেখার বিষয়। আর সেই পরিবর্তনের পথেই চেয়ে আছে দেশের সাধারণ মানুষ।

