Close Menu
Bolte CaiBolte Cai
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Bolte CaiBolte Cai
    Subscribe
    • Home
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • খেলা
    • লাইফস্টাইল
    • মতামত
    Bolte CaiBolte Cai
    Home»জাতীয়»ভাষা ও সাহিত্যের বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    জাতীয়

    ভাষা ও সাহিত্যের বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    News DeskBy News DeskFebruary 26, 2026No Comments2 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email Copy Link
    Follow Us
    Google News Flipboard
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    অদূর ভবিষ্যতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য কেবল দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বজুড়ে নতুন আলো ছড়িয়ে এক গৌরবোজ্জ্বল স্থান দখল করবে—এমনই এক আশাবাদী ও বলিষ্ঠ বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় এই সর্বোচ্চ সম্মাননা তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাঙালি জাতির মেধা ও মনন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সামর্থ্য রাখে। আমাদের জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চা যত শানিত হবে, বিশ্ব দরবারে আমাদের প্রভাব তত বাড়বে।” এই স্বপ্নপূরণে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

    বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী একুশে পদকের শেকড় ও এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম এই পদক প্রবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তার মতে, একুশে পদক কেবল একটি মেডেল বা কাগুজে স্বীকৃতি নয়; এটি ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক অধ্যায়কে নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত করে রাখার এক মাধ্যম।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা নিজের কাজ দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রকে আলোকিত করেছেন, তাঁদের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁদের কাজের একটি মেলবন্ধন তৈরি করা।” জাতীয় জীবনে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি একে ‘শেকড় সন্ধানী মাস’ হিসেবে অভিহিত করেন। তার ভাষায়, একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে যেমন ভাষার লড়াই ছিল, তেমনি এটি ছিল জালেমের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের এক অপ্রতিরোধ্য সংগ্রাম।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বলেন যে, শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের মতো সৃজনশীল ক্ষেত্রগুলোকে কখনোই রাজনীতিকীকরণ করা উচিত নয়। “এটি কোনো সভ্য সমাজের পরিচয় হতে পারে না,” উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমান সরকার একটি নৈতিক মানসম্পন্ন উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে চায়, যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় দেশ মেধার ভিত্তিতে এগিয়ে যাবে।

    ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরম করুণাময়ের কাছে তাঁদের ‘শহিদী মৃত্যু’ কবুল করার প্রার্থনা জানান। তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান যেন তাঁরা এই গুণীজনদের কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সৃজনশীল কাজে নিজেদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করেন।

    বিকেল পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতার শেষাংশে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, গুণীজনদের সম্মানিত করা রাষ্ট্রের কেবল দায়িত্বই নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের নিজস্ব একটি পবিত্র কর্তব্য।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    News Desk
    • Website

    Related Posts

    শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

    June 6, 2026

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে রহস্যজনক আগুন

    June 6, 2026

    আদ্-দ্বীনে শিশু মৃত্যু : লাইসেন্স বাতিলের হুমকি বেআইনি দাবি

    June 6, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    b c.png
    Facebook X-twitter Youtube Telegram
    • ১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৭
    • +৮৮০১৬১২-০৭৭৭৭৭
    • [email protected]
    • About Us
    • Contact Us
    • Privacy Policy
    • Terms & Condition
    • DMCA

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.