বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কোমল পানীয় ব্র্যান্ড ‘স্পিড’ এবার তরুণ ভোক্তাদের সৃজনশীল দক্ষতাকে অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ‘স্পিড রিলস চ্যালেঞ্জ-২’ শীর্ষক একটি আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে। এই চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের সৃষ্টিশীলতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন এবং জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার।
‘স্পিড’-এর জনপ্রিয় দুটি ফ্লেভার— স্পিড গ্রিন অ্যাপেল এবং স্পিড জিঞ্জার ক্যান-কে কেন্দ্র করে এই ক্যাম্পেইনটি আয়োজন করা হয়েছে।
এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সৃজনশীলতা, ভিডিওর মান এবং সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটির জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্বাচিত হবেন।
প্রথম ৫০ জন বিজয়ী স্পিডের পক্ষ থেকে প্রত্যেকে পাবেন একটি আকর্ষণীয় স্মার্টওয়াচ। পরবর্তী ১০০ জন বিজয়ী প্রত্যেকে পাবেন ১ কেস স্পিড জিঞ্জার অথবা স্পিড গ্রিন অ্যাপেল ক্যান।
ব্র্যান্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই ব্র্যান্ডটি সবসময়ই ভোক্তাদের নতুন অভিজ্ঞতা দিতে বদ্ধপরিকর। তরুণ গ্রাহকদের সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি এবং উৎসাহ প্রদানই এই ‘স্পিড রিলস চ্যালেঞ্জ-২’ ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।
ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী ব্যবহারকারীদের কিছু সহজ নিয়ম অনুসরণ করতে হবে: ১. ভিডিও তৈরি: অংশগ্রহণকারীকে স্পিড জিঞ্জার অথবা স্পিড গ্রিন অ্যাপেল ক্যান ব্যবহার করে সৃজনশীল রিলস ভিডিও বানাতে হবে।
২. শেয়ার ও পাবলিক সেটিংস: ভিডিওটি অবশ্যই নিজের ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে পাবলিক সেটিংসে শেয়ার করতে হবে। ৩. হ্যাশট্যাগ ব্যবহার: রিলস আপলোডের সময় নিম্নলিখিত তিনটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা আবশ্যক: * #SpeedReelsChallenge2 * #SpeedGreenApple * #SpeedGinger ৪. লিঙ্ক জমা দেওয়া: ক্যাম্পেইন চলাকালীন ‘স্পিড বাংলাদেশ’-এর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ক্যাম্পেইন অ্যানাউন্সমেন্ট পোস্টের কমেন্ট বক্সে নিজের প্রোফাইলে আপলোড করা রিলসের লিঙ্কটি অবশ্যই শেয়ার করতে হবে।
৫. একাধিক সুযোগ: একজন অংশগ্রহণকারী একাধিক রিলস আপলোড করার সুযোগ পাবেন। ৬. সময়সীমা: ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের সময়সীমা ২৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১১ ডিসেম্বর রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই রিলস আপলোড করতে হবে। ৭. বিজয়ী নির্বাচন: রিলসের সৃজনশীলতা, সর্বাধিক পজিটিভ কমেন্ট এবং রিঅ্যাকশনের ভিত্তিতে বিচারকমণ্ডলী চূড়ান্ত বিজয়ী নির্বাচন করবেন। একজন অংশগ্রহণকারী একবারই বিজয়ী নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
এই উদ্যোগটি দেশের তরুণ সমাজের মধ্যে ডিজিটাল মাধ্যমে সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরির প্রবণতাকে আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

