পুঁজিবাজারে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা আরও ১১টি প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক ইক্যুইটি (Negative Equity) এবং অবাস্তব লোকসানের (Unrealized Loss) বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও তা সমন্বয় করার জন্য শর্তসাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্টক ব্রোকার-ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংক উভয়ই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৮৬তম কমিশন সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
বিএসইসি প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, এই ১১টি প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক ইক্যুইটি ও অবাস্তব লোকসানের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয় সংক্রান্ত ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ বিবেচনা করেই শর্তসাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বিএসইসি দুই দফায় আরও ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক ইক্যুইটি ও লোকসানের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
যে ১১টি প্রতিষ্ঠান প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে সময় পেল, সেগুলো হলো:
ফিনট্রা সিকিউরিটিজ লিমিটেড
শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড
জয়তুন সিকিউরিটিজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড
বিডিবিএল ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড
হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজ লিমিটেড
জিএমএফ সিকিউরিটিস লিমিটেড
ওয়াইফ্যাং সিকিউরিটিজ লিমিটেড
বিআরবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড
বিএনবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড
বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৫ নভেম্বর ৯৮৫তম কমিশন সভায় ৮টি প্রতিষ্ঠান এবং গত ১৪ নভেম্বর ৯৮৪তম কমিশন সভায় ২৮টি প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক ইক্যুইটি ও অবাস্তব লোকসানের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য একই ধরনের শর্তসাপেক্ষে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএসইসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

